PopAds.net - The Best Popunder Adnetwork Sahitto Blog

Saturday, August 10, 2013

Varsity Admission Preparation

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি : বাংলা
১. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি? ক. পদ্মানদীর মাঝি খ. জননী গ. চতুষ্কোণ ঘ. পুতুল নাচের ইতিকথা ২. তকদির-এর সঠিক অর্থ কী? ক. অদৃষ্ট খ. ভাগ্য গ. অন্ধকার ঘ. চিন্তিত ৩. 'বাগদত্তা' কোন সমাস? ক. বহুব্রীহি খ. কর্মধারয় গ. অভ্যয়ীভাব ঘ. তৎপুরুষ ৪. 'চবি্বশ ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি ছাড়তে হবে'। এটি কার হুকুম? ক. সরকারের খ. বাড়ির মালিকের গ. জনতার ঘ. পুলিশের ৫. 'গণ' এর অপব্যবহার কোনটি? ক. দেবগণ খ. নরগণ গ. জনগণ ঘ. পক্ষিগণ ৬. 'মহিমা' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয়_ ক. মহি+মা খ. মহৎ+ ইমন গ. ম+হিমা ঘ. মহা-ইমা ৭. Addendum এর পারিভাষিক অর্থ কী? ক. হলফনামা খ. সূচিপত্র গ. সংযোজন ঘ. হিসাব ৮. 'আমাদের আরামপ্রিয়তা খুব বেড়েছে'_ কাদের? ক. বাঙালিদের খ. নারীদের গ. ডাক্তারদের ঘ. পণ্ডিতদের ৯. চলেছি কোথায়? কোন সীমাহীন দূরে?_ কোন রচনার অংশ? ক. বিলাসী খ. পথিক গ. পাঞ্জেরী ঘ. পাঞ্জেরি ১০. ফররুখ আহমদের গ্রামের নাম কী? ক. মান্দারতলা খ. মাধবপুর গ. মধুপুর ঘ. মাঝআইল


উত্তরমালা : ১. খ ২.ক ৩.ঘ ৪.ক ৫.ঘ ৬.খ ৭.গ ৮.খ ৯. ঘ ১০.ক

English

1|Shakespeare is known mostly for his ______
a) sonnets b) novels
c) plays d) autobiography
2|Who is called the 'Poet of Nature' in English literature?
a) Lord Byron b) John Keats
c) William Wordsworth d) P. B. Shelley
3|Who is the modern philosopher who was awarded Nobel Prize for Literature?
a) V.I Lenin b) Bertrand Russell
c) Walt Whitman. d) Spenser
4|Who was the only Laureate to refuse the Nobel Prize?
a) Jea-Paul Sartre b)Rabindranath Tagore
c) Leo Tolstoy d) T. S. Eliot
5|A person who writes about his own life writes _____.
a) a diary b) a chronicle
c) a biography d) an autobiography
6|Who is the author of 'A Farewell to Arms'?
a) John Milton b) Ernest Hemingway
c) Mathew Arnold d) Robert Browning
7|Who wrote 'Cowards die many times before their death'?
a) Shakespeare b) Franklin
c) Dryden d) Carlyle

1| c 2| b 3| b 4| a 5| d 6| b
7| a

Thursday, August 8, 2013

প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা




প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা

                .....................রাজিব রায়
নিষ্ঠুর প্রকৃতি আজ, দাঁড়ায়াছে মোর বিপরীতে  
                             করিয়াছি কাজ সারাটা জীবন ধরে, পরহিত ব্রতে
কখনো ভাবিনী এমনটা , হবে মোর জীবনে
                               এখনো ছুটছি আমি, জীবন অন্বেষণে ...
একদা আমায় বলিল নিষ্ঠুর প্রকৃতি,  
                                  কর মোর সেবা যদি চাও নিষ্কৃতি ।
“জীবনটা আজ আমার হাতে” বলিল, সেই প্রকৃতি ।।  
                                   একি শান্ত, স্নিগ্ধ শ্যামল, কোমলতার পরশ
যখন আমি বীচে গেলাম, মনটা  হলো বেজায় সরস ।
                                  মুক্ত ভূমি, মুক্ত আকাশ, মুক্ত শান্ত বাতাস
যখন ভাবি কেন এমন, মনটা হয় শুধুই হতাশ ।।
                                   এটিই ছিল বোদ হয় আমার, নিষ্ঠুর পরিনতি  
“জীবনটা আজ আমার হাতে ” বলিল, সেই প্রকৃতি ।।
                                   সন্ধ্যা যখন এলো নেমে, বকেরা সব ডানা মেলে
ফিরছে তারা ঘরের খোঁজে, সার দিনের ক্লান্তি শেষে ।
                                   দেখে আমার চিত্ত জুড়ায়, মনে রঙ্গীন ঘুড়ি উড়ায়...
সুর্য যখন ডুবে ডুবে, ছেলেরা সব ঝিনুক খুঁজে
                                   জোয়ার তখন আসছে তেড়ে , পাথর গুলো গেল ভিজে ।।
দেখ ঐ, ছোট্ট বোটের ছেলেটা যে, করছে কি !  
                                       “জীবনটা আজ আমার হাতে” বলিল, সেই প্রকৃতি । ।

শ্রাবণের চরিত্র

                  ......... রাজিব রায়

এইতো সময় কিছুক্ষন   
                      বৃষ্টি এলো ঝমঝম ।
কেমন জানি অন্য রকম
                      নেইতো বাতাস শন শন ।।
হটাৎ বৃষ্টি নেইকো মেঘ
                        বায়ু দেবতার কেমন খেদ ।
ভেতরটা আজ ভীষন গরম
                         ফুলগুলো সব লাগছে চরম ।।
আমি যখন ঘুমাচ্ছিলাম
                           স্বপনের ঘুড়ি উড়াচ্ছিলাম ।             
ব্জ্রপাত যে গেল কোথায় ?
                            রংধনুটা উঠছে মাথায় ।।
হঠাৎ বৃষ্টি থেমে গেল !
                             পাখিরা সব বের হলো ।
কেমন জানি কি হলো
                                 রংধনুটা উঠেই গেল ।।
মেঘ বালিকা কোথায় এখন ?
                                  রঙ্গের ছটা খেলছে যখন ।
আকাশ খুব লাল হলো গো
                                   উঠছে ফুঁসে খেলার জো ।।
আনন্দের আর নেইকো শেষ
                                  মেয়ে ছেলেদের কেমন বেশ !
পাড়ার দিদি বলছে ডেকে
                                   কই গেলিরে সব তোরা ,
রং বেরঙ্গে মাখছে গায়ে
                                  ভিন দেশি ঐ বর্নচোরা ।। 

মাতৃ ভাবনা


.................রাজিব রায় 

মাগো, তুমি কোথায় গেলে আমায় ছেড়ে ?
যদি কোন দুঃখ থাকে, ফেলে দাও ঝেড়ে ।।
অসভ্য ! এক সত্য ইতিহাস কে না জেনে
তোমার যাওয়াকে আমি, নিতে পারছিনা মেনে ।।  
ভালোবাসার অভাব ছিল, এটা জানি ঠিক... ,
হন্য হয়ে খুঁজছি আমি, তোমায় দিক্‌ বিদিক্‌ ।।    
অন্তরের যত কথা, বললাম নাতো তো'মায়
যখন আমি ছিলাম ভালো ,বিজ্ঞানের ঐ আস্তানায় ।।
বুঝতে চাওনি গো মা , সেই ছেলেটার মন...  
তোমার কথা ভাবি আমি, শুধুই সারাক্ষণ  ।। 
তুমি মাগো আছো কোথায় , কেউতো জানেনা
হৃদে আমার করুন ব্যাথা ,আর যে সহেনা ।।
আজো আমি বসে আছি, শুধু  তোমারি প্রতীক্ষায়
না পেয়ে মন তোমায় আবার, শুধুই আমায় কাঁদায় ।। 
জল ছাড়া মাছ যেমন-করে, তিক্ত হাহাকার !
হয়েছি ধন্য তোমারি জন্য , এই আমার অধিকার ।।
ফিরে এসো মা তোমার ছেলে ,আজ বসেছে দ্বারে
কেঁদেছি কতকাল থেকেছি আমি ,তৃপ্ত অনাহারে ।।
বোঝনাতো ছেলের মন ,করতে পারিনি তোমায় আপন
আসছেনা ঘুম কোন মতে ,জেগে দেখছি তোমার স্বপন ।।
দুঃখ ভারাক্রান্তে জর্জরিত আজ ,আমার হৃদয় খানি
ফিরে যদি না আসো মা ,নিজেরে দিব কোরবানি ।।

Thursday, August 1, 2013

কি এমন অহংকার !!



লিখেছেন রাজিব রায় । প্রকাশিত হয়েছে ১/০৮/২০১৩ইং সময়ঃ ১-১০ মিনিট।
 

অনেক দিন ধরে লিখব-লিখব বলে ভাবছিলাম কিন্তু সময়ের সল্পতার কারনে আর কিছুই লেখা হলো না । কিন্তু ইদানিং কালে কিছু বিষয় আমাকে লিখার জন্য ভাবিয়ে তুলেছে । বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালিন খন্ড খন্ড অভীজ্ঞতা গুলো মহীরুহ হয়ে আজ হয়তো একটা রচনা লেখার উপযোগিতা লাভ করেছে । তাই আজ আমার ফেসবুক বন্ধুদের ও আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ভাইদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চায় । আসলে কথা গুলো বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক তাই আমি আগেই থেকেই বলে দিচ্ছি , আমার কথা গুলো স্রেফ অভীজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয় । আমার বন্ধুদের মুখে শোনা কিছু আজগুবি, গাজাখুরি গল্প আজ আপনাদেরকে শোনাব । জানিনা আপনাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তবে কথা গুলো না বললেই নয় । পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক তীব্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চান্স পায় এটা সবাই জানে । প্রত্যেকটা ডিপার্টমের্ন্টে অনেক কষ্ট করে চান্স পেতে হয় । আর কোন ডিপার্টমেন্টকে খাট করে দেখার কিছু নেই । তারপরও চান্স পাওয়ার পর কিছু ছাত্র ১ম বছর শুধু নিজেদের ঢোল পিটাতে ব্যতিব্যস্ত থাকে । উদাহরণস্বরুপ, চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়ের  আইন ও মাইক্রোবায়োলজি অনুষদের নিউ ফ্রেশ স্টুডেন্টরা এমনকি সিনিয়র দাদারাও নিজেদের গীতটা একটু বেশিই গায় । আমি আমার আজকের লেখায় কিছু হুবহু ডাইয়ালগ তুলে ধরব যা আপনাদের মজা বই আর কিছুই দিবে না । আমি যখন এই ধরনের কথা গুলো প্রথম শুনি তখন আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছিল । অনেক সময় শাটল ট্রেনে, কিংবা ঝুপড়িতে, কিংবা পরিচিত বন্ধুরা (তবে সবাই নয়) আমার সাথে প্রায় এ ধরনের অনেক কথাই বলে । যেমনঃ চ,বি আইন বিভাগের  ২য় বর্ষের এক বন্ধু একদিন বলছে এইরকম ,  “ শুনেছিস !  আমাদের  ক্লাশে আজ চমৎকার একটা ইনফরমেশন পেলাম । আমাদের এক স্যার অনেক পুরোনো জার্নাল ঘেটে বের করল অবিশাস্য এক তথ্য । চ,বি এর আইন বিভাগ নাকি এতই ডিমান্ড যে স্বয়ং “বারাক ওবামা” পড়ার জন্য এখানে এসেছিল । বলা হয়ে থাকে যে, চ,বি এর আইন নাকি পুরো ভারতীয় উপমহাদেশে শ্রেষ্ঠ । কিন্তু এখানে ভর্তি পরীক্ষায় ৫০ নম্বরের ইংরেজি থাকে । এইজন্য বারাক ওবামা ভর্তি পরীক্ষায় টিকে নাই ” । আসলে বড়ই হাস্যকর । এ ধরনের  কথা প্রায় শোনা যায় । সে আরো বলল, “আমাদের স্যার’রা হচ্ছে ভার্সিটির সেরা গবেষক । তাদের মাথায় এত বুদ্ধি যে, এ,কে খান গ্রুপ থেকে কিভাবে ৭-১০ কোটি টাকা আদায় করে নিয়েছে নিজেদের ডিপার্ট্মেন্টের উন্নয়নের জন্য যা অন্য কোন ডিপার্ট্মেন্টের দ্বারা হয়তোবা সম্ভব ছিল না ।  আর আমাদের ভবন হবে বাংলাদেশের সেরা ডিজাইনের বিল্ডিং এবং পুরো ডিজিটাল ওয়াই-ফাই , বিদেশি সিস্টেম ”।  আরেক দিন আরেক বড় ভাই বলছে এইভাবে , “ দেখ, আমদের জাকির স্যার , শাহ্‌ আলম স্যার, ফারুখ স্যার (অসম্মান করার সাহস আমার নেই) এরা হচ্ছে একেকটা মাথা । এইজন্য ল’ ফ্যাকাল্টিকে আলাদা জায়গায় , একটু উপরে পুরো কাম্পাস থেকে বলতে গেলে বাইরে আলাদা  নির্জন স্থানে নিয়ে গেছেন । যেখানে রাজনীতির তেমন কোন ছোঁয়া নাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন মারামারি হলে তদন্তের ভার পরলে তাঁরা আগে দেখেন ল’র কোন স্টুডেন্ট আছে কিনা ” । OK মানছি, আবার বললেন, এখান থেকে পাস করলে সবার গতি প্রায় ভালই হয়। পুরা ভারতীয় উপমহাদেশের যে কোন খানে চাকরি হয় (!) আর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষাতে তারাই সবথেকে বেশি সাফল্য রাখছে । তাছাড়া আরেক দিন শাটল ট্রেনে আসার সময় এক বড় ভাই আরেক ছোট ভাইকে বলছে, “তুমি কোন ডিপার্টমেন্টে ? ছেলেটি বলল, ইংরেজি বিভাগ । তারপরছেলেটি উনাকে বললেন, আপনি কোন ডিপার্টমেন্টে ? উত্তরে বড় ভাই বললেন, আমি ভার্সিটির সবথেকে দামি  ও সেরা সাবজেক্ট “মাইক্রোবাইয়োলজি” তে পড়ি  । ” আরেকদিন আরেক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা তিনি বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে হলে যাচ্ছিলেন । তো ট্রেনে বসে আমি উনাকে প্রশ্ন করছিলাম যে, ভাইয়া আপনার বিসিএস পরীক্ষা কেমন হয়েছে ? উত্তরে তিনি বললেন , “খুব ভালো”  । তারপর দুটা ম্যাথ প্রশ্ন বের করলেন এবং বললেন, “এই প্রশ্ন সমাধান করতে অনেকের দুই মিনিটের বেশি সময় লাগবে সেটা আমি মাত্র ২৫ সেকেন্ডে করে ফেললাম তাছাড়া পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্ররা ম্যাথ এ একটু ভালো হয় (যেহেতু উনি সেই ডিপার্টমেন্টের একজন ছাত্র)” । অতএব এভাবে প্রতিনিয়ত নিজেদের গাল বাজি সবাই করে যাচ্ছে । কিন্তু এভাবে আর কতদিন ! একাডেমিক রেজাল্ট যখন ভালো হবেনা , জীবনের ক্যারিয়ারে যখন কোথাও ভালো স্থান হবে না তখন গালবাজি কোথায় যাবে ? এভাবে চাপাবাজি করতে করতে আমার এক প্রিয় ল’র বন্ধু ফেল করে বসে আছে । সে এখন হতাশায় ভুগছে । প্রায় সময় আমার কাছে আসে মনের শান্তির জন্য । এখন তার চাঁপাবাজি পুরোপুরি বন্ধ । তার মন্তব্য এখন পুরোপুরি বিপরীত । সে বলে , “ আসলে প্রতিটি বিষয় ভালো ।আর ভালটা তখনই ভালো বলে গন্য হবে যখন, সে সেই বিভাগ থেকে ভালো রেজাল্ট তৈরি করতে পারবে এবং এভাবে জীবনে বহুদুর এগিয়ে যাওয়া যায় । আর ভাল সাবজেক্টে পড়েও যদি ভালো রেজাল্ট করা না যায় তাহলে কোন দামও নেই ” । সে একসময় স্বপ্ন দেখতো ব্যারিষ্টার /জুডিশিয়াল জাজ্‌ হওয়ার জন্য । কথায় কথায় সব সময় নিজেকে মাজিট্রেট হিসেবে কল্পনা করত ।এখন সে স্বপ্ন দেখছে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য । যদিও তার সাবজেক্টের মুখ্য উদ্দেশ্যের বিপরীত । ধীরে ধীরে তার স্বপ্ন গুলো উন্নততর থেকে নিচুতর হচ্ছে । সে যখন ল’তে প্রথম টিকে তখন তার বাসায় নেমপ্লেট লাগিয়েছে ঠিক এভাবে , “Mr. XYZ . LLB (hon`s) C.U” যদিও সে ল’ কমপ্লিট করে নি । স্রেফ লোক দেখানোর জন্য । কারন এটা ল’য়ারের ধর্ম । যে কোন সাধারন মানুষকে যদি জিজ্ঞেস করেন যে, ভাই উকিলদের ধর্ম কেমন? দেখবেন, আপনাকে স্বরচিত কন্ঠে কবিতার মতন কয়েক লাইন শুনিয়ে দেবে । তাই আমার বন্ধুদের ল’য়ার হতে নিরুৎসাহিত করি । যাই হোক আমার আমাদের ঢোল না পিটিয়ে প্রত্যেকটা সাবজেক্টকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখব । এটাই যেন আমাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিনত হয়। নিজেদের ভিতর অহংকারকে উস্‌কে না দিয়ে পাশের বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে তাকে বলি , তুমিই সেরা সাবজেক্টে পড়, তোমাকে ভালো রেজাল্ট করতেই হবে । আমার এই লেখাটা কেমন হল মন্তব্য করতে ভুলবেন না কিন্তু । আর লেখাটা যদি ভালো লাগে তাহলে লাইক এবং শেয়ার করতে আপনার যেন মর্জি হয় ।   ধন্যবাদ!! ভালো থাকবেন ।